নাসরিন আক্তার:-
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার ১ নং ধর্মগড় ইউ পি,র দিহট ভরনিয়া গ্রামের মৃত সামশুল হকের ৫ মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ে মোছাঃ হাসনারা( ২০)। একই ইউনিয়নের চেকপোষ্ট চিকনী গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় হাসনারার।বিয়ের সময় দেয়া হয় একটি মোটর সাইকেল সহ অন্যান্য আসবাব পত্র। বিয়ের পর থেকেই চলতে থাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন। বিয়ের এক বছরের মাথায় তাদের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় মাহফুজা। বর্তমানে মাহফুজার বয়স দু,বছর। গত জুন/২৬ এর যে কোন এক সময় যৌতুকের জন্য মারপিট করে ও রক্তাক্ত জখম করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়া হয়।তারপর উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স থেকে দু,দিন চিকিৎসার পর বাপের বাড়ী ফেরেন।কিন্তু বাপের বাড়ী থেকে অনেক বার ফোনে যোগাযোগ করলে ও অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ ও তাকে তালাক দিবে বলে জানায়। পরবর্তীতে গত ০২ সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখে কাজী অফিস কতৃক তালাকের নোটিস প্রেরন করে মেয়ের ঠিকানায়। মেয়ে নোটিস গ্রহন না করে যৌতুক বাবদ দেয়া সকল আসবাবপত্র ফেরত চেয়ে একখানা অভিযোগ দেন রানীশংকৈল থানায়।অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই রউফ মেয়েকে একতরফা ভাবে দোষারোপ করে আইনি সহায়তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। মেয়েটির পারিবারিক অবস্হা বিবেচনা করে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমানুল্লাহ আল বারী তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন তাহার বিয়েতে দেয়া সকল আসবাবপত্র ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু শেষমেষ কোন উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে মেয়েটি তার পরিবারকে নিয়ে গত ১০/০৯/২০২৬ ইং তারিখে পুলিশ সুপারের সাথে সরাসরি দেখা করেন এবং মেয়েটিকে আস্বস্হ্য করেন। তাকে সকল আসবাবপত্র ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্হা করা হবে।অদ্য ১৪ সেপ্টম্বর ২৬ ইং মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেন এবং কোন আইনি সহযোগীতা করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন।