দৈনিক জাগ্রত সময় | বিশেষ অনুসন্ধান
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুরের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা ও কার্যালয় সামগ্রী লুটের অভিযোগ উঠেছে। মামলার এজাহারে লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, দুটি আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি, তিনটি স্টিলের আলমারি এবং বিপুল পরিমাণ ওষুধসহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
এখানে বড় প্রশ্ন—এত বিপুল ও ভারী মালামাল রাতের অল্প সময়ে কীভাবে সরিয়ে নেওয়া হলো?
আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, ফ্রিজ ও এসির মতো সরঞ্জাম সাধারণত একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতা ছাড়া দ্রুত সরানো কঠিন। ফলে তদন্তে সম্ভাব্য পরিবহন ব্যবস্থার তথ্য, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং আশপাশের দোকান বা প্রতিষ্ঠানের ক্যামেরার রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।
লুট হওয়া ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর তালিকাও তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব সামগ্রী কোথায় নেওয়া হয়েছে, কার কাছে গেছে এবং পরবর্তীতে সেগুলো বিক্রি বা অন্য কোথাও সরবরাহ করা হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে প্রতিটি লুট হওয়া যন্ত্রের মডেল, সিরিয়াল নম্বর, ক্রয় নথি ও মূল্য যাচাই করা গেলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা সহজ হবে।
তদন্তের স্বার্থে প্রশ্ন উঠছে—লুটের পর এসব মালামাল উদ্ধারে কী ধরনের অভিযান হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কী উদ্ধার হয়েছে? কোনো মালামাল উদ্ধার হলে তার সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের যোগসূত্র কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
অনুসন্ধানের কেন্দ্রবিন্দু:
লুট হওয়া চিকিৎসা সরঞ্জামের তালিকা, ক্রয় নথি, সিরিয়াল নম্বর, পরিবহনের সম্ভাব্য পথ এবং উদ্ধার কার্যক্রম।
এই মালামাল উদ্ধারের সূত্র পাওয়া গেলে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণেও তদন্তকারীরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারেন।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ডশাহজামাল টাওয়ার, আদর্শবাগ, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা ১৩৬২।